ছায়াখুনি ১
'আপনি কে? কোথা' থেকে ফোন দিয়েছেন? কাকে চান?' ফোন ধরেই একশ্বাসে বলে গেলো সাবিরা। কিন্তু সে অবাক হলো। ওপাশ থেকে কোনো জবাব আসলো না। কয়েক সেকেন্ড পর ফোন কেটে গেলো। সাবিরা মুঠোফোন টেবিলে রাখতে রাখতে কানের মাঝে উষ্ণতা অনুভব করলো। হাত দিয়ে দেখে কান ভেজে রক্ত ঝরছে। কিছু বুঝে উঠতে না পেরে জ্বোরে চিৎকার দিলো। পরিবারের অন্যরা এসে দেখে সাবিরা মাটিতে পড়ে আছে। কান দিয়ে রক্ত ঝরছে কলকলিয়ে এবং নিস্তেজ হয়ে গেছে। শাহাদাত নার্ভ পরীক্ষা করে বলল- শী ইজ নো মোর!
মুহূর্তে শোকে ছেয়ে গেলো সারাঘরে। কান্নারা জানালা ভেঙে গড়িয়ে পড়তে লাগলো পাড়ার দরোজাগুলোতে। জড়ো হতে লাগলো মানুষ। সবাই প্রশ্ন করে কীভাবে ঘটলো? কেউ বলতে পারে না। পরিবারের সকলই হুশ-বেহুশের বিছানায়। শাহাদত কোনোমতে নিজেকে সামলিয়ে পোস্টমর্টেমে লাশ পাঠানোর ব্যবস্থা করলো। ঘটনার বর্ণনাও দিলো ভেজা ভেজা কণ্ঠে। পাড়াবাসী হতবাক আর বিস্ময়ে ঝরাতে লাগলো আফসোসের জলধারা।
জানাযা সম্পন্ন করে শাহাদাত চলে গেলো সোজা গ্রামীনফোনের অফিসে। নিজে একজন ডাক্তার ও গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করে বিধায় অফিস ওয়ালারা তাকে তথ্যগুলো অকপটে বলে দিলো। শাহাদত নাম্বারটির মালিককে ভালো করেই চেনে। একেবারে কাছের আত্মীয়। সাবিরার মামাতো ভাই। কিন্তু শাহাদতের মনে প্রশ্নেরা ভিড় করে। কীভাবে ফোনের মাধ্যমে একজন মানুষকে হত্যা করা যায়? সে ভেবে পাচ্ছে না কার কাছে যাবে! কাকে জিজ্ঞাসা করলে তথ্যটি পাবে? বিজ্ঞান কি এতোটাই উৎকর্ষ হয়ে গেলো? এতো বিরাট অপোন্নতি কখন হলো?
সে ভাবতে ভাবতে একজন আইসিটি বিশেষজ্ঞের দরোজায় গাড়ি থামালো। রিফাত নামে যিনি বেশ বিখ্যাত। পুরো ঘটনা শোনার পর তিনি বললেন- বিষয়টি খুবই জটিল। পোস্টমর্টেম এর রিপোর্ট বলছে কানে প্রচণ্ড আঘাতের প্রতিক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে।
একটু থেমে রিফাত সাহেব শাহাদাতকে বললেন- তোমাদের বাড়ীতে তো সিসি ক্যামেরা লাগোনো ছিলো। তা কি চেক করেছো?
- না তো!
- যাও, তা চেক করে নাও। হয়তো খুনিকে পেয়ে যেতে পারো!
শাহাদাত তড়িগড়ি করে বাড়ীর দিকে রওয়ানা দিলো। গাড়ীর গতি খুব বাড়িয়ে দিয়ে যখন একটি স্থানে টার্নিং করবে, ঠিক তখন পিছন থেকে বিকট একটি আওয়াজ হয় এবং তার গাড়ী উল্টে যায়। সে অজ্ঞান হয়ে যায়। গ্লাস ভাঙা জানালা দিয়ে তার অর্ধেক দেহ বাহিরে আসে। যখন তার জ্ঞান ফিরে তখন সে জানতে পারে কেউ একজন তাকে গুলি করেছিলো।
কিস্তিতে লেখার ইচ্ছা..... ইন শা আল্লাহ
'আপনি কে? কোথা' থেকে ফোন দিয়েছেন? কাকে চান?' ফোন ধরেই একশ্বাসে বলে গেলো সাবিরা। কিন্তু সে অবাক হলো। ওপাশ থেকে কোনো জবাব আসলো না। কয়েক সেকেন্ড পর ফোন কেটে গেলো। সাবিরা মুঠোফোন টেবিলে রাখতে রাখতে কানের মাঝে উষ্ণতা অনুভব করলো। হাত দিয়ে দেখে কান ভেজে রক্ত ঝরছে। কিছু বুঝে উঠতে না পেরে জ্বোরে চিৎকার দিলো। পরিবারের অন্যরা এসে দেখে সাবিরা মাটিতে পড়ে আছে। কান দিয়ে রক্ত ঝরছে কলকলিয়ে এবং নিস্তেজ হয়ে গেছে। শাহাদাত নার্ভ পরীক্ষা করে বলল- শী ইজ নো মোর!
মুহূর্তে শোকে ছেয়ে গেলো সারাঘরে। কান্নারা জানালা ভেঙে গড়িয়ে পড়তে লাগলো পাড়ার দরোজাগুলোতে। জড়ো হতে লাগলো মানুষ। সবাই প্রশ্ন করে কীভাবে ঘটলো? কেউ বলতে পারে না। পরিবারের সকলই হুশ-বেহুশের বিছানায়। শাহাদত কোনোমতে নিজেকে সামলিয়ে পোস্টমর্টেমে লাশ পাঠানোর ব্যবস্থা করলো। ঘটনার বর্ণনাও দিলো ভেজা ভেজা কণ্ঠে। পাড়াবাসী হতবাক আর বিস্ময়ে ঝরাতে লাগলো আফসোসের জলধারা।
জানাযা সম্পন্ন করে শাহাদাত চলে গেলো সোজা গ্রামীনফোনের অফিসে। নিজে একজন ডাক্তার ও গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করে বিধায় অফিস ওয়ালারা তাকে তথ্যগুলো অকপটে বলে দিলো। শাহাদত নাম্বারটির মালিককে ভালো করেই চেনে। একেবারে কাছের আত্মীয়। সাবিরার মামাতো ভাই। কিন্তু শাহাদতের মনে প্রশ্নেরা ভিড় করে। কীভাবে ফোনের মাধ্যমে একজন মানুষকে হত্যা করা যায়? সে ভেবে পাচ্ছে না কার কাছে যাবে! কাকে জিজ্ঞাসা করলে তথ্যটি পাবে? বিজ্ঞান কি এতোটাই উৎকর্ষ হয়ে গেলো? এতো বিরাট অপোন্নতি কখন হলো?
সে ভাবতে ভাবতে একজন আইসিটি বিশেষজ্ঞের দরোজায় গাড়ি থামালো। রিফাত নামে যিনি বেশ বিখ্যাত। পুরো ঘটনা শোনার পর তিনি বললেন- বিষয়টি খুবই জটিল। পোস্টমর্টেম এর রিপোর্ট বলছে কানে প্রচণ্ড আঘাতের প্রতিক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে।
একটু থেমে রিফাত সাহেব শাহাদাতকে বললেন- তোমাদের বাড়ীতে তো সিসি ক্যামেরা লাগোনো ছিলো। তা কি চেক করেছো?
- না তো!
- যাও, তা চেক করে নাও। হয়তো খুনিকে পেয়ে যেতে পারো!
শাহাদাত তড়িগড়ি করে বাড়ীর দিকে রওয়ানা দিলো। গাড়ীর গতি খুব বাড়িয়ে দিয়ে যখন একটি স্থানে টার্নিং করবে, ঠিক তখন পিছন থেকে বিকট একটি আওয়াজ হয় এবং তার গাড়ী উল্টে যায়। সে অজ্ঞান হয়ে যায়। গ্লাস ভাঙা জানালা দিয়ে তার অর্ধেক দেহ বাহিরে আসে। যখন তার জ্ঞান ফিরে তখন সে জানতে পারে কেউ একজন তাকে গুলি করেছিলো।
কিস্তিতে লেখার ইচ্ছা..... ইন শা আল্লাহ
0 মন্তব্যসমূহ